Freelancing TipsOnline Earning Tips

অর্ডার কম্প্লেশন রেট ৯০%- ১০০% স্টেবল রাখার উপায়

অর্ডার কম্প্লেশন রেট ৯০%- ১০০% স্টেবল রাখার উপায়ঃ যদি আমরা ক্লায়েন্টের সাথে ডিসকাস করে কোন প্রজেক্ট নিই তবে সেই প্রজেক্ট ক্যান্সেল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে।

কিন্তু যদি অটো অর্ডার করে মানে ক্লায়েন্ট না বুঝে বেসিক গিগে অর্ডার করে সে ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। কি রকম সমস্যা হয় যেমন হতে পারে এমন সার্ভিস সে চাচ্ছে যেটা আপনি পারেন না বা দেন না অথবা তার রিকোয়ারমেন্টস আকাশ সমান কিন্তু সে অর্ডার করেছে কম প্রাইস এন্ড বাজেট বাড়াতে বললেও বাড়াবে না এন্ড বলবে ক্যানসেল করতে ইত্যাদি।

তো এক্ষেত্রে সেলারদের কোন কিছু বলার থাকে না কারণ ক্লায়েন্ট অলরেডি অর্ডার করে ফেলেছে। ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই যেটা হয় সেলার ক্যানসেল করতে বাধ্য হয় এন্ড তার অর্ডার কম্প্লেশন রেট ডাউন হয় ফল সরুপ লেভেল ড্রপ।

কিন্তু কিন্তু যদি আমরা ছোট্ট কিছু টিপস ফলো করি সে ক্ষেত্রে অনেকাংশেই অর্ডার কম্প্লেশন রেটের নেগেটিভিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি ফলে আমাদের লেভেলটা ঠিক থাকবে এবং গিগ রেঙ্ক হারাবার সম্ভাবনাটাও কমে যাবে।
টিপসগুলো হলঃ

👍 প্রথমে অটো অর্ডার পাওয়ার পর ক্লায়েন্টকে ধন্যবাদ জানাই আমার গিগে অর্ডার করার জন্য (ফর্মালিটি ফর প্রফেশনালিজম 😁)

👍 তারপর প্রজেক্ট রিকোয়ারমেন্টস চেক করি।

👍 প্রজেক্ট রিকোয়ারমেন্টস চেক করার পর যদি দেখি প্রজেক্ট আমার গিগ প্যাকেজের সাথে পারফেক্ট ম্যাচ দ্যান কাজটা করে দেই।

👍 যদি প্রজেক্ট রিকোয়ারমেন্টস কিছু বুঝি কিছু না বুঝি সে ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের কাছে বাকিটা বুঝে নিই তার রিকোয়ারমেন্টস।

👍 ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্টস কিছুই যদি না বুঝি কিংবা রিকোয়ারমেন্টস ফিল্ডে কোন রিকোয়ারমেন্টস না দিয়ে স্কিপ করে সে ক্ষেত্রে তাকে সুন্দর করে বলি যেন সে তার প্রজেক্ট রিকোয়ারমেন্টস ক্লিয়ার করে আমাকে এক্সপ্লেইন করে অথবা কোন রেফারেন্স দেয় ইত্যাদি।

👍 ক্লাইন্টের রিকোয়ারমেন্ট শুনে যদি বুঝেন আমি কাজটা করতে পারব কিন্তু সে অর্ডার করেছে কম রেটে যেটার প্রাইস এত কম না আরো বেশি তো সে ক্ষেত্রে আমি ক্লায়েন্টকে পোলাইটলি বুঝাই যে তার প্রজেক্ট রিকোয়ারমেন্টস এন্ড তার অর্ডার করা প্রাইস সো ফার ডিস্টেন্স যেটা একে অন্যের সাথে ম্যাচ করছে না এটার প্রাইস আরও বাড়বে এন্ড কত প্রাইস হলে আমি কাজটা ভালোভাবে করবো সেটাও বলে দিই। তারপর ক্লাইন রাজি হলে গিগ প্রাইস এক্সটেন্ড করে নিই রেজুলেশন সেন্টার থেকে।
আর প্রাইস বাড়াতে রাজি না হলে নিচের ফর্মুলা ফলো করি।

👍 যদি এমন কোনো প্রজেক্ট যেটা আমার গিগের সাথে যায় না কিংবা আমি কখনোই করিনাই কিংবা আমি কাজটা করতে পারব না, কিংবা কাজটা আমি পারবো কিন্তু প্রাইস বাড়বে বাট ক্লায়েন্ট প্রাইস বাড়াবে না সে ক্ষেত্রে আমি ক্লায়েন্টকে বলি যে তুমি যে সার্ভিস চাচ্ছো সেই সার্ভিস আমি প্রোভাইড করিনা কিংবা প্রাইস ম্যাচ হচ্ছে না। তুমি ভুল জায়গায় অর্ডার করেছ ইত্যাদি ভদ্রতার সাথে বলি। এক্ষেত্রে ম্যাক্সিমাম ক্লায়েন্ট বুঝে যায় যে তাদের ফল্ট দেন তারা সরি বলে এন্ড ওরাই বলে এটা তার মিসটেক অর্ডার তাই অর্ডার ক্যানসেল করতে।
এরকম হলে আমি সাপোর্টে জানাই।
ক্লায়েন্ট নাম, অর্ডার ডেট, অর্ডার টাইম এবং আমাদের কনভারসেশন স্ক্রীনশট স্পেশালি সে মিসটেক অর্ডার করেছে সেই মেসেজে স্ক্রিনশন নিয়ে ফাইবারে মেইল করি দেন তারা সাপোর্ট থেকে ক্যানসেল করে দিয় উইথ আউট অর্ডার কম্প্লেশন রেট না কমিয়ে এন্ড এই ক্যানসেল আমার গিগের রেংকিং এর উপর প্রভাব ফেলে না।

উপরের এই কিছু ফরমালিটি মেইনটেইন করে দীর্ঘদিন ধরে আমি আমার লেভেল ধরে রেখেছি। তাই আমার মনে হলো আপনাদের সাথে শেয়ার করি তাই শেয়ার করলাম। হয়তো অনেকের কাজে আসবে।

লেখাঃ রোজি ইসলাম।

Shakil Ahamed

চেষ্টা করলে সফল অবশ্যই হওয়া যায়। চেষ্টা নতুন কিছু করার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button