Google AdSense

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়? [ New Tips ]

গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়:: গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য আমরা সাধারনত এর আগের আর্টিকেলে পাঁচটি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এবং আজকে আমরা আর পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করব। সাধারণত এই দশটি পয়েন্ট ভালোভাবে খেয়াল রাখলে এবং সেই অনুপাতে আপনার ব্লগ সাইটে কিংবা প্লাটফর্মে কাজ করলে।

অবশ্যই আপনি এডসেন্স অতি সহজে পেয়ে যাবেন। আপনারা যারা আগের আর্টিকেলটি পড়েননি তারা অবশ্যই আমার প্রোফাইলে ঢুকে আর্টিকেলটি পড়ে নিবেন। আশা করি আগের আর্টিকেল মন দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়লে আজকের আর্টিকেলটি পড়তে সুবিধা এবং উপকারে আসবে।

দেখুন গুগল কিন্তু যাতা প্ল্যাটফর্ম নয় গুগোল সারা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অন্যতম একটি নেটওয়ার্ক। মানে আমি বোঝাতে চেয়েছি গুগল এডসেন্স এর নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে দিন তো আমরা ইনকাম করার কথা চিন্তা করি, সেহেতু আমাদের পরিশ্রমী সততা নিয়ে কাজ করতে হবে। দিন যত যায় ততই এই নেটওয়ার্ক কঠোরতা প্রচুর পরিমাণে দেখা যাচ্ছে।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য করণীয় প্রথমত?

তো বন্ধুরা যেহেতু গুগলের প্রডাক হলো গুগল এডসেন্স এবং খুবই জনপ্রিয় একটি নেটওয়ার্ক বিজ্ঞাপনের জন্য। তাই গুগল এডসেন্স বাবা অতি সহজ মনে অনেকের কাছে হতে পারে। কিন্তু মূলত যারা একেবারে নতুন তাদের কাছে সবচেয়ে বেশি কঠিন হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয় এটি।

গুগল এডসেন্স পাওয়া সহজ আবার অনেকটাই কঠিন। আপনি বারবার চেষ্টা করলে এবং পরিশ্রমী সততা নিয়ে কাজ করলে অবশ্যই এডসেন্স পাবেন। তবে তার জন্য গুগল এডসেন্স এর নিয়ম নীতি এবং গাইড লাইন এর কোনো বিকল্প নেই মানার ক্ষেত্রে।

আজকে আমরা গুগল এডসেন্স এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে ধরব সাথে তুলে ধরব পাঁচটি বিশেষ পয়েন্ট। যেগুলো না মেনে চললে গুগল এডসেন্স পাওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। যারা নতুন আছেন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো। সুতরাং আর্টিকেলটি যেহেতু পড়া শুরু করেছেন শেষ পর্যন্ত একটু ধৈর্য ধরে পড়তে থাকুন।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা?

আপনি যদি গুগলের পার্টনারশিপ প্রোগ্রাম এ জয়েন হয়ে গুগল থেকে টাকা ইনকাম করার কথা চিন্তা করেন তাহলে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে আপনার অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

গুগলের নিয়ম নীতি এর কোন বিকল্প নেই প্রথমত এটা আপনার অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। অন্যদিকে নিজের পরিশ্রম সততা এবং ধৈর্য সাথে এগুলো করে দেখানো কঠিন মনে হলেও সহজ হবে তাদের কাছে যারা সত্যি সততা নিয়ে চলতে আগ্রহী।

তাছাড়া পরিশ্রম ব্যতীত সফলতা অর্জন করা একেবারেই দোকানের কাজ। সুতরাং বিষয় গুলো সহজ ভাবে অনেকে আমরা নিলেও বিষয়টি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই কাজ শুরুর আগে ধৈর্য পরিশ্রম সততা নিয়ে কাজ করার কথা মাথায় রেখেই কাজ শুরু করবেন আশা করি।

যেহেতু আমরা গত আর্টিকেলে গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে আপনাদের কাছে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলাম। তাই আজকে আমরা 6 নম্বর পয়েন্ট থেকে শুরু করে 10 নম্বর পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করব।

এই দশটি পয়েন্ট বিস্তারিত মনের মাঝে গেথে আপনি গুগলে কাজ করলে অবশ্যই আপনার প্লাটফর্মে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম বা গুগল এডসেন্স পাবেন। ধৈর্য ধরে আজকের এই 6 টি কমেন্ট শেষ পর্যন্ত পড়ে প্লাটফর্ম এর কাজে ব্যয় করা যাক। যেন সহজে গুগল এডসেন্স পাওয়া যে কারো সম্ভব হয়।

০৬। গুগল এডসেন্স এর জন্য প্রতিটি পোস্টে পর্যাপ্ত কনটেন্ট!

অনেকে আমরা 100 থেকে 200 শব্দের ভিতর একটি আর্টিকেল লিখে ব্লগ সাইটে পাবলিশ করে দিয়ে থাকি। কিন্তু এটা মোটেও উচিত নয় আপনার আর্টিকেল বা পোস্টে পর্যাপ্ত কনটেন্ট ব্যতীত গুগল এডসেন্স বাবা একেবারে দুষ্কর।

বন্ধুরা একটি পরিপূর্ণ পর্যাপ্ত কনটেন্ট গুগোল না পেলে ভাববে এই ব্লগ সাইট তেমন ভালো না তার প্রতি গুরুত্ব দিবে না। অন্যদিকে আপনার এডসেন্স পাওয়া তো দূরের কথা। সুতরাং মোটেও বিষয়টি নিয়ে অবহেলা করা ঠিক না।

প্রত্যেক পোষ্টে অবশ্যই পরিমানমত লেখা থাকতে হবে। শুধু কোনো রকম ২০/২৫ টি পোষ্ট করলেই আপনি গুগল এডসেন্স পাওয়ার আশা করতে পারবেন না। গুগল বট আপনাকে এডসেন্স অনুমোদন দেয়ার আগে এটাও জেনে নেবে যে, প্রত্যেকটি পোষ্টে কি পরিমান লেখা রয়েছে।

প্রতিটি পোষ্ট মিনিমাম ৫০০/৬০০ টি ভালমানের Words এর সমন্বয়ে হতে হবে। যেন আপনার আর্টিকেলটি দেখতে পরিপূর্ণ পর্যাপ্ত কনটেন্ট মনে হয়। যেন একজন ভিজিটর দেখে সম্পূর্ণ আর্টিকেল করে উপকৃত হয়। এই আশায় আপনি প্রত্যেকটি আর্টিকেল একটু বেশি শব্দ দিয়ে তৈরি করে পাবলিশ করবেন।

আশা করি আপনারা এই বিষয়টি অন্তত বুঝতে পেরেছেন। এই পয়েন্টে নিয়ে হেলাফেলা মোটেও করলে কিন্তু চলবে না কারণ অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ ভাবে পেতে চান তাই মোটেও অবহেলা করা উচিত নয় বিষয়টি নিয়ে। চলুন বন্ধুরা এবার আমরা দ্বিতীয় পয়েন্ট নিয়ে কথা বলি।

০৭। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ!

আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইট এর জন্য যদি একটু প্রফেশনালি টি না দেখা যায় তাহলে গুগল আপনাকে এডসেন্স একাউন্ট দিবে না। তাই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেজ আপনার ওয়েবসাইটের থাকা আবশ্যকীয় প্রয়োজন।

ব্লগের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ Pages যেমন- About Us, Privacy Policy এবং Contact Us পেজ রাখা আবশ্যক। কয়েক বৎসর আগে Google AdSense Team একটি নিয়ম করেছিল যে, প্রত্যেকটি ব্লগের অবশ্যই Privacy Policy পেজ রাখতেই হবে।

তারই নিয়মে অবশ্যই বাকি পেজগুলিও রাখাটা ভাল। আপনার ওয়েবসাইটের প্রফেশনাল তৈরি করার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেজ গুগল এডসেন্সের টিমের দল খুবই গুরুত্ব দেয়। তাছাড়া ভিজিটররা ও আপনার ব্লগে বারবার ফেরত আসতে উৎসাহিত পাবে।

তাই বিষয়টি নিয়ে মোটেও অবহেলা করা উচিত নয়। যদি আপনি এই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেজ তৈরি না করে থাকেন আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইটে তাহলে অবশ্যই আজকে এই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেজ তৈরি করে নিবেন। যেহেতু গুগল খুবই কঠোর তাই অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়েও অবহেলা করবেন না।

০৮।গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য নাম, বয়স এবং ইমেইল!

আপনার নাম, বয়স এবং ইমেইল এড্রেস অবশ্যই Google Account এবং Contact Us পেজে ব্যবহার করবেন। এতেকরে গুগল এডসেন্স টিম আপনার আবেদন রিভিউ করার সময় সহজে আপনার নাম, বয়স এবং ইমেইল এড্রেস সম্পর্কে নিশ্চিত হবে পারবে। তাছাড়া গুগল এডসেন্স পাওয়ার আবেদন করার জন্য আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ বৎসর হতে হবে।

যারা মূলত কম বয়স দিয়ে জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছি তারা চেঞ্জ করে ডেট অফ বার্থ পাল্টিয়ে অন্তত 18 বছর করে রাখবেন। তা না হলে কিন্তু আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্ট পাওয়া দুষ্কর। গুগোল এই দিক দিয়ে খুবই কঠোর সুতরাং 18 বছর না হলে আপনাকে কখনোই অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট দিবে না।

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কসমূহ বিষয়টি হলো এটা যে আপনার জিমেইল একাউন্ট এর বয়স কমপক্ষে 18 বছর যেন হয়। অনেক আমরা শখের বশে তো নিজের বয়স 15 16 17 থাকলেও এগুলো দিয়ে একাউন্ট তৈরি করতে পছন্দ করি। কিন্তু যেহেতু আপনি গুগল এডসেন্স এর কাজ করতে চাচ্ছেন সেহেতু আপনার বয়স কমপক্ষে 18 হওয়া খুবই জরুরী একটি বিষয়।

০৯। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর!

একটি ওয়েবসাইটের জন্য ভিজিটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর যেটা আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং অন্যদিকে গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইউনিক সার্চ ইঞ্জিন গুগল থেকে ভিজিটর নিয়ে আসা তাই আমাদের জন্য আবশ্যক। নিজে নিজে সরাসরি ওয়েবসাইটে এ কি ডিভাইস দিয়ে আসলে সেটা অনেক সময় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পেলে ব্লগের জন্য গুগল এডসেন্স পাওয়া আরোও সহজ হয়ে যায়। কারণ যে ব্লগে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর আসে সে ব্লগকে গুগল বেশী পছন্দ করে। কাজেই সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পাওয়ার জন্য ভালভাবে SEO অনুসরণ করতে হবে। আপনার ব্লগে যদি ভিজিটর কম থাকে তাহলে AdSense পাওয়ার আশা করতে পারেন না।

ব্লগে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০/৩০০ ইউনিক ভিজিটর থাকলে গুগল এডসেন্স পাওয়া সহজ হয়। তবে অনেক সময় 0visitors থাকলেও এডসেন্স পাওয়া যায়। তবে তার জন্য অন্য দিক বিষয়গুলো গুরুত্ব আরো বেশি দিতে হয়, কিন্তু আপনি কমপক্ষে একটু বেশি ভিজিটর ইউনিক আপনার ওয়েবসাইটে আনার পর এডসেন্স আবেদন করবেন।

তাহলে অবশ্যই কয়েকদিনের ভিতরে এই গুগল অ্যাডসেন্স থেকে রিপ্লাই চলে আসবে অন্যদিকে অ্যাডসেন্স পাওয়ার নিশ্চয়তা খুব একটা বেশি থাকবে। এই বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই বিষয়টি নিয়ে অবহেলা করা মোটেও ঠিক নয়। তাই বিষয়টি মাথায় রেখে আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইটে কাজ করবেন আশা করি।

১০।গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য অন্য বিজ্ঞাপন না দেওয়া!

অনেকে আমরা একটু বেশি ইনকাম এর কথা চিন্তা করে বিকল্প কিছু এড নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্টেড হয়ে, অন্যান্য বিজ্ঞাপনগুলো নিজের ব্লগিং ও ওয়েব সাইটে এড করে রাখি। যদিও অনেক সময় এডসেন্স পাওয়া যায় কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইটে অন্যান্য বিকল্প বিজ্ঞাপন থাকলেও এডসেন্স পাওয়া যায়।

আপনার ব্লগে যদি অন্য কোন ধরনের PPC বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন তাহলে গুগল এডসেন্স পাওয়ার আবেদন করার পূর্বে তা সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় গুগল আপনার ব্লগে AdSense অনুমোদন করবে না। কারণ Google AdSense তাদের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি অন্য কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখাতে পছন্দ করে না। তবে এডসেন্স অনুমোদন হওয়ার পর অন্যান্য বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন।

কিন্তু বিষয়টি নিয়ে মোটেও অবহেলা করা ঠিক নয় কারণ গুগলের নিয়ম নীতি এবং গাইডলাইনে এ বিষয়টির কঠোরতা রয়েছে। আপনি যদি বিকল্প কোন এড নেটওয়ার্ক এর সাথে কানেক্টেড হন, তাহলে আপনার প্রফেশনালিটি অন্যদিকে প্রচুর পরিমাণে থাকা জরুরি!

সুতরাং আপনার উচিত অন্যান্য বিকল্প কোন বিজ্ঞাপন আপনার প্লাটফর্মে না দেওয়াই ভালো। যদিও এর গুরুত্ব অ্যাডসেন্স পাওয়ার দিক দিয়ে অনেক বেশি। তবে এই পয়েন্টে অনেক সময় পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে যদিও এটা গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট। তাছাড়া আপনি অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর অন্যান্য বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে তেমন একটা সমস্যা হয় না।

Pro Tips: উপরের সবগুলো শর্ত ফিলআপ করার পর আপনি গুগল এডসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে আরো কিছু টিপস অনুসরণ করতে হবে। তাহলে আপনি সহজে গুগল এডসেন্স অনুমোদন পাবেন আশা করি।

আশা করি এই বিষয়টি নিয়েও ভেবেচিন্তে আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইটে কাজ করবেন। আশা করি উপরোক্ত সকল পয়েন্ট গুলো সঠিকভাবে মেনে আপনি ওয়েবসাইটে কাজকর্ম করে এডসেন্সে এপ্লাই করলে, অবশ্যই এডসেন্স একাউন্টের অনুমোদন পাবেন। কোন একটি পয়েন্ট মিসটেক হওয়ার পূর্বে ধৈর্য্যসহকারে কাজ কর্ম করবেন আশা করি।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শেষ কথা?

আশা করি আপনারা উপরোক্ত দশটি পয়েন্ট বিস্তারিত বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। উপরোক্ত পাঁচটি আজকের আর্টিকেলে শেয়ার করা পয়েন্ট এবং গত পাঁচটি পয়েন্ট মোট দশটি এগুলো ভালোভাবে এনালাইসিস ধৈর্য সহকারে আপনার ওয়েবসাইটে।

সঠিক নিয়মে এপ্লাই করলে অবশ্যই এডসেন্স একাউন্ট পাওয়া সম্ভব। আশাকরি পুরোপুরি বিষয়বস্তু অর্থাৎ গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সকল বিষয়ে বিস্তারিত বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। পরিশেষে আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ থাকবে এটাই যে,

আপনারা যারা ব্লগিং জগতে আসতে আগ্রহী তারা অবশ্যই নিজের ধৈর্য পরিশ্রম এবং সততা নিয়ে কাজ করবেন। নিজের ধৈর্য এবং পরিশ্রম সততা ব্যতীত সফলতা অর্জন করা একেবারেই অসম্ভব এর মত। মূলত আপনি সফলতা অর্জন করার জন্য অবশ্যই পরিশ্রমের হয়ে আপনার পার্সোনালিটি কাজ করবেন আশা করি তাহলে সফলকামী হবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button