Redmi Note 11t 5G ফোনের বাংলা রিভিউ

হ্যালো প্রিয় ভিজিটর আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আপনাদেরকে আবারো আমাদের সাইটে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক স্বাগতম জানাই। আজকের পোস্ট এ আমি আপনাদের সাথে Realme Note 11t 5G ফোনটি এর সমস্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন দেরি না করে পোস্ট টি শুরু করা যাক।

আমরা এই আরটিকেল থেকে যা যা জানবো

Redmi Note 11t 5g

সদ্যই বাজারে রিলিজ হওয়া একটি নতুন ফোন হলো redmi note 11t 5g । যদিও বাংকাদেশে এখনও লঞ্চ করা হয় নি এই ফোন টি। তবে আজকের পোস্ট এ ফোন টি কেমন সেই বিষয়ে আলোচনা করবো। রিয়েলমি এর ফোন মানেই নতুন একটা কিছু। ফোনটি চায়নাতে কয়েকটি ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়েছে। সেগুলো এর র‍্যাম ৪ থেকে ৮ জিবি র‍্যাম এবং স্টোরেজ ১২৮ ও ২৫৬ জিবি। ফোন টি এর মূল্য দেশী বাজারে ১৮,০০০ টাকা।

Display

বেশ বড় সড় একটি ডিসপ্লে নিয়েই বানানো হয়েছে এই ফোন টি। এই ফোনটি এর ডিসপ্লে হলো ৬.৬ ইঞ্চি এর। এর রেজুলেশন হলো ১০৮০ × ২৪০০ মেগা পিক্সেল এর। ফোন টি তে মাল্টি টাচ টি অনেক ভালো ভাবে কাজ করে। ডিসপ্লে টি এর PPI ডেনসিটি হলো ৩৯৯। এবং এর ডিসপ্লে তে ব্যবহার করা হয়েছে ৯০ হার্জ এর LCD প্যানেল।

Design

ফোন টি এর ডিজাইন অনেকটা ভালো। যেটা আপনারা দেখলেই বুঝতে পারবেন। ফোন টি এর রেয়ার প্যানেল পুরো প্লাস্টিক বডি বিল্ডের। এবং এই ফোন টি ৩ টি কালারে লঞ্চ করা হবে। ব্ল্যাক, মিল্কিওয়ে ব্লু ও মিন্ট গ্রিন কালারে লঞ্চ করা হয়েছে ফোন টি। ফোন টি এর ওজন ১৯৫ গ্রাম। ফোন টি এর ডিজাইন টা আগের ভার্সন এর ফোনের মতোই।

আরো পড়ুনঃ   Symphony z35 ফোনটির ফিচার,গেমিং,ক্যামেরা খুটিনাটি দেখে নিন। সম্পুর্ন বাংলাতে

Performance

ফোন টি তৈরি করা হয়েছে এন্ড্রয়েড ১১ OS দিয়ে। ফোন টি তে ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Dimensity 810 5G (6 nm) এই প্রসেসর টি। ফোম টি তে CPU হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Octa-core (2×2.4 GHz Cortex-A76 & 6×2.0 GHz Cortex-A55) এগুলো এবং এতে GPU হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Mali-G57 MC2 । এটা কোনো নতুন কিছু না।

ফোন টি তে গেমিং এ খুব বেশি ভালো রেজাল্ট পাবেন সেটা বলবো না। তবে একদমই গেমিং করতে পারবেন না সেটাও বলিনি। মোট কথা মোটামুটি ভালো একটা কিছু পাবেন। তবে রেগুলার কাজে ফোন টি ভালো ভাবেই ব্যবহার করতে পারবেন।

Network

এই ফোন টি এর এখন সব থেকে আকর্ষিত দিক টি হলো এর নেটওয়ার্ক। কেননা এতে, আপনারা ৫জি নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। এই ফোন টি তে ৫জি সাপোর্টেড হবে। তাই যারা নেটওয়ার্ক বেশি ইউজ করেন তারা ফোন টি থেকে নেটওয়ার্ক ব্যবহারে অনেকটা ভালোই ফলাফল পাবে।

Camera

ফোন টি তে মেইন শুটার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মেগা পিক্সেল এর একটি ক্যামেরা এবং এছাড়াও বাকি ২ টি সেন্সর আছে সেগুলো যথাক্রমে ২৬ ও ৮ মেগা পিক্সেলের এর। এবং এর ফন্ট ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ মেগা পিক্সেল এর।

ক্যামেরা গুলো থেকে আপনারা বেশ ভালো একটি পার্ফরমেন্স পেয়ে যাবেন। ক্যামেরা অনেকটা ভালো শার্প নেস ধরে রাখতে পেরেছিলো। এবং ছবি তোলাতে মোটামুটি ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।

Battery

ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০০০ mAh এর একটি বড় ব্যাটারি। ফোন টি আপনারা হ্যাভি ইউজার হলে ১ দিনের মতো ব্যাক আপ পাবেন। আর যদি নরমাল ইউজার হন তাহলে অনায়াসে ২-২.৫ দিনের ব্যাক আপ পেয়ে যাবেন। এছাড়া এতে সাপোর্ট পাবে ৩৩ ওয়ার্টের ফাস্ট চার্জার। যা দিয়ে ফুল চার্জ হতে সময় লাগবে ৬২ মিনিট মানে ১ ঘন্টা ২ মিনিট।

আরো পড়ুনঃ   ওয়ালটন কোম্পানির দারুণ একটা ফোন রিভিউ দেখে নিন

তো প্রিয় ভিজিটর আশা করছি আপনাদের কাছে আজকের এই পোস্ট টি ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কিন্তু কমেন্ট করে জানাবেন। এবং আমাদের সাইটে এরকম আরো অনেক হেল্পফুল পোস্ট রয়েছে সেগুলো পড়তে চাইলে আমাদের সাইট টি একবার ভিজিট করুন। আর আজকের মতো এখানেই বিদায়, ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন।

Please Share This Article

Leave a Comment