Wednesday, October 5, 2022

ওমিক্রন থেকে বাচতে যে বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলে ভালো আছেন। আপনাদেরকে আবারো আমাদের সাইটে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক স্বাগতম জানাই। আজকের পোস্ট এ আমি আপনাদের সাথে ওমিক্রন থেকে বাচার জন্য কিছু টিপসের বিষয় টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তো চলুন দেরি না করে পোস্ট টি শুরু করা যাক।

ওমিক্রন থেকে বাচতে যে বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি

কোভিড ১৯ এর নতুন যে ভ্যারিয়েন্ট আমাদেরকে পুনরায় হুমকীর মুখে ফেলেছে সেটি হলো ওমিক্রন। এর থেকে নিরাপদ থাকার জন্যে আমাদের হাত ধৌত করার সাথে সাথে নিয়মিত জীবানুমুক্ত থাকতে হবে। এমনকি নিজেদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। আর এই প্রক্রিয়াকেই স্টেরিলাইজেশন বলা হয়ে থাকে।

জীবাণুমুক্তকরণ (Sterilization) হল এমন একটি পদ্ধতি যা দ্বারা কোন সারফেস অথবা যন্ত্রপাতিতে থাকা সমস্ত অণুজীব বা জীবাণুগুলি বিভিন্ন সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পরিষ্কার করা হয়। তো, আজকে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত জিনিসগুলি কিভাবে পরিষ্কার রাখবো সেটি নিয়ে আলোচনা করবো।

বাড়ির পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুমুক্তকরণ পদ্ধতি (ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা)

নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রেঃ

১. প্রতিবার খাবার রান্না বা প্রস্তুতের আগে ও পরে হাত ধৌত করতে হবে।
২. খাবার খাওয়ার আগে ও পরে।
৩. বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে।
৪. বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে।

সাবান-পানি তাৎক্ষণিকভাবে না পাওয়া গেলে হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করুন। এ ছাড়া দরজার হাতল, নব, টেলিফোন, রিমোট, সুইচসহ যেসব বস্তু বারবার ব্যবহৃত হয়, সেগুলো নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

জিনিসপত্রের পরিচ্ছন্নতা

বাড়ির মেঝে এবং অন্যান্য তল পরিষ্কার রাখার দুটি ধাপ আছে।

১. ক্লিনিং বা পরিচ্ছন্ন করা।
২.ডিজইন ফেকটিং বা জীবাণুনাশ করা।

বাড়ি জীবাণুমুক্ত করার ধাপসমূহঃ

১. প্রথমে পানি, ডিটারজেন্ট বা ফ্লোর ক্লিনারজাতীয় উপাদান দিয়ে মেঝে, তল ইত্যাদি পরিষ্কার করতে হবে।
২. এরপর জীবাণুনাশক উপাদান দিয়ে জীবাণুমুক্ত করুন।
৩. জীবাণুনাশক হিসেবে ব্লিচ বা ৭০ শতাংশ অ্যালকোহলের মিশ্রণ কার্যকর।
৪. বাড়িতে ব্লিচ মিশ্রণ তৈরি করতে এক গ্যালন পানিতে ৫ টেবিল চামচ ব্লিচ মেশাতে হবে।
৫. প্রতিদিন কয়েকবার এভাবে রান্নাঘর, বাথরুম ও অন্যান্য ঘরের মেঝে, যেকোনো তল পরিষ্কার করুন।
৬. পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই হাতে গ্লাভস পরে নেবেন।
৭. আর কাজ শেষে সেটা ফেলে দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলবেন।
৮. কার্পেট, মাদুর, ম্যাট ইত্যাদি জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন।

মোবাইল পরিষ্কার পদ্ধতি

১. প্রথমে নিজের মোবাইল ফোনটি সুইচ অফ করুন, তারপর প্রটেক্টিভ কভারটি সরিয়ে ফেলুন।
২. এরপর শুকনো কাপড় দিয়ে মোবাইল ফোনটি পরিষ্কার করুন।
৩. সামনে ও পেছনে ভালবাসে পরিষ্কার করুন, প্রয়োজন হলে ব্রাশ ব্যবহার করুন।
৪. এরপর নতুন এক টুকরো কাপড় নিন এবং সেটাতে স্যাভলন মিশিয়ে নিন।
৫. পুনঃরায় পুরো ফোন পরিষ্কার করুন।
৬. সবার শেষে মোবাইলের প্রটেক্টিভ কভার পরিষ্কার করবেন।

তো প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি আপনাদের কাছে আজকের এই পোস্ট টি ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কিন্তু কমেন্ট করে জানাবেন। এবং আমাদের সাইটে এরকম আরো অনেক হেল্পফুল পোস্ট রয়েছে সেগুলো পড়তে চাইলে আমাদের সাইট টি একবার ভিজিট করুন। আর আজকের মতো এখানেই বিদায়, ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন।

Shihab
Shihabhttps://skytube.ml
নিজে যা জানি তা অন্যকে জানাতে ভালোবাসি আর্টিকেলের মাধ্যমে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে লেখালেখি করি.
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here